সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ ঢাকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নেওয়ার সময় সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও আবেগঘন উপস্থিতি দেখা যায়।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের আবহ তৈরি হয়। মৃত্যুর পর তাঁর মরদেহ জাতীয় মর্যাদায় লাল-সবুজের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে নেওয়া হয়।
প্রথমে খালেদা জিয়ার মরদেহ ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় দলীয় নেতাকর্মী ও উপস্থিত সাধারণ মানুষ নীরব শ্রদ্ধা জানান।
এরপর লাশবাহী গাড়িটি গুলশান এলাকার তারেক রহমানের বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এবং ঘনিষ্ঠজনেরা শেষবারের মতো তাকে শ্রদ্ধা জানান। বাসভবন এলাকাজুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং নিয়ন্ত্রিতভাবে মানুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ দেওয়া হয়।
পরবর্তী ধাপে মরদেহটি জাতীয় সংসদ ভবনের পাশের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা ও সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হয়। জানাজায় বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, কূটনীতিক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় বিপুল মানুষের উপস্থিতির কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জানাজা শেষে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী মরদেহ পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খালেদা জিয়ার এই শেষ যাত্রা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগঘন অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
