৯ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ ডেস্ক
রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত জোরদার করেছে। এ ঘটনায় আরেকজন আহত হয়েছেন।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যায় গুলিতে নিহত হন ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বির। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন আনোয়ার হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনাস্থলেই মুছাব্বিরের মৃত্যু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, কারওয়ান বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কারণ হতে পারে। এলাকাটি রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িকভাবে স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সন্দেহভাজন কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। দলটির নেতারা বলছেন, নির্বাচনী পরিবেশে এ ধরনের ঘটনা রাজনৈতিক সহিংসতাকে উসকে দিতে পারে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে, বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনী প্রক্রিয়া চলাকালীন। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর থেকে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে, কিন্তু এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করা না গেলে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি হতে পারে।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকে।
স্বেচ্ছাসেবক দল, হত্যাকাণ্ড, কারওয়ান বাজার, রাজধানী, পুলিশ তদন্ত, রাজনৈতিক সহিংসতা, বিএনপি
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন