আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে নবীজী (সা.) - ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | সর্বশেষ সংবাদ ও ব্রেকিং নিউজ । বস্তুনিষ্ঠ খবরের নির্ভরযোগ্য নিউজ পোর্টাল। 🔵 Facebook 🔴 YouTube

| |
| |

Post Top Ad

Responsive Ads Here

শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬

আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে নবীজী (সা.)

ঝলক২৪ ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত : ১৬/০১/২০২৬ | আপডেট : ১৩:১২
শেয়ার করুন


মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-কে ইসরা ও মি’রাজের রাতে অভূতপূর্ব সম্মান ও নৈকট্য দান করেছেন, যা ইসলামের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মর্যাদার প্রতীক। এই রাত্রিকালীন যাত্রায় নবীজী (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে জেরুজালেমের মসজিদুল আকসায় গমন করেন এবং সেখান থেকে আকাশের উচ্চতম স্তরে আরোহণ করে সিদরাতুল মুনতাহার নিকটবর্তী স্থানে পৌঁছান, যেখানে তাঁর সঙ্গে আল্লাহর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
এই ঘটনা ঘটে রজব মাসের ২৭ তারিখের রাতে, যখন নবীজী (সা.) মক্কায় কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। পবিত্র কুরআনে এর বর্ণনা এসেছে সূরা বনী ইসরাইলের প্রথম আয়াতে: “পবিত্র ও মহান তিনি যিনি তাঁর বান্দাকে রাতের মধ্যে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায়, যার চারপাশ আমরা বরকতময় করেছি, যাতে আমরা তাঁকে আমাদের নিদর্শনসমূহ দেখাতে পারি। নিশ্চয়ই তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।” (সূরা বনী ইসরাইল: ১)। সূরা নাজমে আরও বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে: “তার হৃদয় যা দেখেছে তা মিথ্যা বলেনি। তিনি কি তাঁর প্রতিপালকের সবচেয়ে বড় নিদর্শনসমূহ দেখেননি?” (সূরা নাজম: ১১-১৮)। এই যাত্রায় জিবরাইল (আ.) নবীজী (সা.)-কে বোরাক নামক বাহনে করে নিয়ে যান, মসজিদুল আকসায় সকল নবী-রাসূলের ইমামতি করান এবং পরে সাত আসমান অতিক্রম করে সিদরাতুল মুনতাহায় পৌঁছান। সেখানে তিনি জান্নাত-জাহান্নামের দৃশ্য দেখেন এবং আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যমে উম্মতের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করা হয়। উল্লেখ্য, নবীজী (সা.) আল্লাহকে চোখে দেখেননি, বরং হৃদয় দিয়ে অথবা অত্যন্ত নৈকট্যে অনুভব করেন, যা উম্মতের জন্য সর্বোচ্চ সম্মানের প্রতীক। হাদিসে বর্ণিত আছে যে, এই যাত্রা শারীরিক ও আত্মিক উভয়ভাবে ঘটেছে। আয়েশা (রা.) বলেন, “যে বলে মুহাম্মাদ (সা.) তাঁর প্রভুকে চোখে দেখেছেন, সে মিথ্যা বলেছে” (বুখারী ও মুসলিম), কিন্তু ইবনে আব্বাস (রা.)-এর মতে তিনি হৃদয় দিয়ে দেখেছেন। এই অভিজ্ঞতা নবীজী (সা.)-কে আল্লাহর একান্ত নৈকট্য দান করে, যা অন্য কোনো নবীর জন্য এমনভাবে বর্ণিত হয়নি। এতে উম্মতের জন্য নামাজের মাধ্যমে দৈনন্দিন মি’রাজের পথ দেখানো হয়েছে, যেমন নবীজী (সা.) বলেন, “নামাজ মুমিনের মি’রাজ”। এই ঘটনা ঈমানের শক্তি, ধৈর্য ও আল্লাহর রহমতের প্রতীক হিসেবে মুসলিমদের অন্তরে চিরকাল জাগরূক রাখবে।
ইসরা ও মি’রাজ, নবীজী (সা.), আল্লাহর নৈকট্য, সিদরাতুল মুনতাহা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, কুরআনের নিদর্শন

সূত্র: ঝলক২৪ টিম

খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন

Pages