বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক নেত্রী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন যে দল থেকে সকাল-বিকেল ফোন করে তাকে আসন ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মন্ত্রীত্বের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে, যা আসন্ন ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও সমঝোতার চাপকে সামনে এনেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বিএনপি থেকে বহিষ্কার হওয়া রুমিন ফারহানা গতকাল শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ বিকেলে সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “দল থেকে সকাল-বিকেল ফোন করে বলছে, মন্ত্রীত্ব দেব, আসনটা ছেড়ে দেন। কিন্তু আমার জান থাকতে, শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাকতে মন্ত্রীত্ব কেন; আরো কিছুর বিনিময়ে আমি আমার এলাকার মানুষকে ছেড়ে যাব না।” রুমিন ফারহানা আরও উল্লেখ করেন যে বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন এবং তাঁর মৃত্যুর পরই তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে; খালেদা জিয়া হাসপাতালে যাওয়ার আগে ২৩ নভেম্বর তাঁর মনোনয়ন নিয়ে খোঁজ নিয়েছিলেন। সভায় স্থানীয়রা তাঁকে একটি হাঁস উপহার দেন এবং তিনি ঘোষণা করেন যে নির্বাচনে হাঁস প্রতীক চাইবেন। এই ঘটনা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে দলের কঠোর অবস্থান এবং নির্বাচনী সমঝোতার চাপের মধ্যে রুমিন ফারহানার স্বতন্ত্র লড়াইয়ের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দলের জোট প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করায় তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রুমিন ফারহানা বলেন, “আমি কোনো কিছুতেই আমার এলাকার মানুষকে ফেলে যাব না।”
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, বিএনপি বহিষ্কার, মন্ত্রীত্ব প্রস্তাব, আসন ছেড়ে দেওয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, স্বতন্ত্র প্রার্থী
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন