সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করছে বাংলাদেশ - ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | সর্বশেষ সংবাদ ও ব্রেকিং নিউজ । বস্তুনিষ্ঠ খবরের নির্ভরযোগ্য নিউজ পোর্টাল। 🔵 Facebook 🔴 YouTube

| |
| |

Post Top Ad

Responsive Ads Here

সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করছে বাংলাদেশ



ঢাকা: বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে দেশে একটি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিক্যাল (ইউএভি) বা সামরিক ড্রোন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করছে। এটি প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তির (Technology Transfer) মাধ্যমে হবে, যা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতার দিকে একটি বড় পদক্ষেপ।

সূত্র অনুসারে, অর্থ মন্ত্রণালয় ৬ জানুয়ারি ২০২৬-এ প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। প্রকল্পের নাম "Establishment of Manufacturing Plant and Transfer of Technology (ToT) for Unmanned Aerial Vehicles (UAVs)"। এর আনুমানিক ব্যয় ৬০৮.০৮ কোটি টাকা (প্রায় ৫৭০.৬০ কোটি টাকা এলসি খোলা ও প্রযুক্তি আমদানি-স্থাপনার জন্য)। চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান China Electronics Technology Group Corporation (CETC) International এই প্রযুক্তি সরবরাহ করবে।
এটি সরকার-সরকার (G-to-G) ভিত্তিতে চুক্তি স্বাক্ষরের অপেক্ষায় রয়েছে। বিমান বাহিনীর একটি যৌথ কমিটি আলোচনা শেষে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। পেমেন্ট FY25 থেকে FY28 বা FY26 থেকে FY29-এর মধ্যে সম্পন্ন হবে। বিমান বাহিনীর বাজেটের "অন্যান্য যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম" খাত থেকে এই খরচ মেটানো হবে, অতিরিক্ত বরাদ্দের প্রয়োজন নেই।
প্রকল্পের লক্ষ্য ও গুরুত্ব
দেশে সামরিক ড্রোন উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও সমাবেশ করা যাবে।
আমদানি নির্ভরতা কমবে এবং দীর্ঘমেয়াদি খরচ হ্রাস পাবে।
প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতা বাড়বে, যা Forces Goal 2030 এর অংশ।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনের সভাপতিত্বে সমন্বয় সভায় এই তথ্য উঠে আসে।
এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, কারখানার নির্মাণকাজ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হয়েছিল। এখন চূড়ান্ত চুক্তি ও বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।

অতিরিক্ত প্রস্তাব
চীন বাংলাদেশে একটি বিমান ওভারহলিং কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছে। এটি চালু হলে দেশের বিমান রক্ষণাবেক্ষণ সক্ষমতা বাড়বে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও সেবা প্রদান সম্ভব হবে, যা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে।
বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা জানান, দুই বছর আগে বাংলাদেশ অ্যারোনটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার নিজস্ব নকশায় চারটি বিমান তৈরি ও উড্ডয়ন করেছে। এই সাফল্য প্রতিরক্ষা শিল্পে স্বনির্ভরতার পথ প্রশস্ত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করলে এভিয়েশন খাতে বড় উন্নয়ন সম্ভব।
এই চুক্তি বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও মজবুত করবে। এটি দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: ঝলক২৪ টিম

খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন

Pages