বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে ২৬টি অগ্রাধিকার বিষয় ও ৪১ দফা প্রতিশ্রুতি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর বনানী শেরাটন হোটেলে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচনী ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে। দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান এই ৯০ পৃষ্ঠার দলিল উপস্থাপন করেন, যা জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা পূরণ ও জনপ্রত্যাশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। ইশতেহারকে ৮টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে এবং সরকার পরিচালনায় ২৬টি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আপসহীন বাংলাদেশ গঠন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র, যুবকদের ক্ষমতায়ন, নারীদের জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ, মেধাভিত্তিক নিয়োগ, ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সবুজ-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সংস্কার, সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা। দলটি ১০টি মৌলিক প্রতিশ্রুতিতে ৫টি ‘হ্যাঁ’ (সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা, কর্মসংস্থান) এবং ৫টি ‘না’ (দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব, চাঁদাবাজি) ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে যুবকদের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে অগ্রাধিকার, নারীদের মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য প্রতিনিধিত্ব, সমানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতি প্রবর্তন, সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা শক্তিশালীকরণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বেকারভাতা নয়, যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেবো।” এছাড়া শিক্ষা ও চাকরির ক্ষেত্রে বয়সসীমা তুলে নেওয়া, আবেদন ফি বাতিল, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে। ইশতেহারটি জনগণের কাছে দলীয় দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত বলে দাবি করেছে দল।
জামায়াতে ইসলামী ইশতেহার, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ২০২৬, ২৬ অগ্রাধিকার বিষয়, জুলাই সনদ, যুবক ক্ষমতায়ন, নারী নিরাপত্তা, দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ
জামায়াতের ইশতেহারে ২৬ অগ্রাধিকার বিষয়: যুব নেতৃত্ব, নারী নিরাপত্তা, দুর্নীতি-ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র; ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ঘোষিত।