মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানকে ১০-১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিলেন, চুক্তি না হলে 'খারাপ পরিণতি'র হুঁশিয়ারি
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি অর্থবহ চুক্তিতে পৌঁছাতে ১০ থেকে ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, চুক্তি না হলে 'খুব খারাপ কিছু' ঘটবে বা 'দুর্ভাগ্যজনক পরিণতি' হবে। এই হুঁশিয়ারির মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক চাপ আরও তীব্র হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ওয়াশিংটনে তার নতুন উদ্যোগ 'বোর্ড অব পিস'-এর উদ্বোধনী সভায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরানকে একটি অর্থবহ চুক্তি করতে হবে, অন্যথায় খারাপ কিছু ঘটবে। পরে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, ১০ থেকে ১৫ দিনই সর্বোচ্চ সময়, এর মধ্যে সিদ্ধান্ত জানা যাবে। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না এবং এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি জরুরি। এর আগে ২০২৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে তার ক্ষমতা 'ধ্বংস' করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন, কিন্তু এখনও আরও পদক্ষেপের সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে জেনেভায় ওমানের মধ্যস্থতায় পরোক্ষ আলোচনা চলছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের মতো প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনী বড় আকারে সামরিক সমাবেশ করেছে—দুটি বিমানবাহী রণতরী, এফ-২২, এফ-৩৫সহ যুদ্ধবিমান, সাবমেরিন ও অন্যান্য সম্পদ মোতায়েন করা হয়েছে, যা ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড়। ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করবে এবং জাতিসংঘে 'দৃঢ় প্রতিক্রিয়া'র কথা জানিয়েছে। এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ইরান পারমাণবিক চুক্তি, ট্রাম্প ইরান হুঁশিয়ারি, ১০ দিন সময়সীমা, মার্কিন সামরিক সমাবেশ, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা
ট্রাম্প ইরানকে পারমাণবিক চুক্তিতে ১০-১৫ দিন সময় দিলেন, না হলে 'খারাপ পরিণতি': বোর্ড অব পিস সভায় হুঁশিয়ারি ।