জনতা ব্যাংক মির্জা ফখরুলের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানের ২২ কোটি টাকা সুদ মওকুফের অভিযোগ পুরনো, ২০১৯ সালের ঘটনা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিনের প্রতিষ্ঠানকে জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ২২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা সুদ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০১৯ সালে। এই ঋণের মূল অংশ ৪৪ কোটি টাকা ছিল এবং মওকুফের পর মাত্র ২২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা এ সিদ্ধান্ত নেয় যখন ব্যাংকটি প্রায় ৭১ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণের চাপে অস্তিত্ব সংকটে ছিল এবং মোট ঋণের ৭৩ দশমিক ১৮ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছিল। মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ সুবিধা পান বলে অভিযোগ উঠেছিল। মওকুফের অংশে মওকুফযোগ্য সুদ ৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, অনারোপিত সাধারণ সুদ ১ কোটি টাকা এবং অনারোপিত দণ্ড সুদ ২ কোটি টাকা ছিল। এ ঘটনা সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবার আলোচিত হচ্ছে যদিও এটি পুরনো খবর।
জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে মির্জা ফয়সাল আমিনের প্রতিষ্ঠানের ৪৪ কোটি টাকা ঋণের প্রায় অর্ধেক সুদ মওকুফ করে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আপন ছোট ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন এই সুবিধা পান যখন ব্যাংক খেলাপি ঋণের চাপে ছিল। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট দায়ের প্রায় ৫০ শতাংশ মওকুফ করে ব্যাংক মাত্র অর্ধেক আদায়ের লক্ষ্য রাখে। মির্জা ফয়সাল আমিন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে পরিচিত। এ ঘটনা আওয়ামী লীগ সরকারকালীন সময়ের এবং রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেয়। সাম্প্রতিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় এই পুরনো অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় পুনরায় ছড়িয়ে পড়েছে কিন্তু নতুন কোনো ঘটনা বা সিদ্ধান্ত নয়। জনতা ব্যাংকের এ ধরনের মওকুফ সিদ্ধান্ত ব্যাংকের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
মির্জা ফখরুল, মির্জা ফয়সাল আমিন, জনতা ব্যাংক, ঋণ মওকুফ, ২২ কোটি টাকা, খেলাপি ঋণ
মির্জা ফখরুলের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠানকে জনতা ব্যাংকের ২২ কোটি টাকা সুদ মওকুফ ২০১৯-এ; পুরনো ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচিত