ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়াও ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আপত্তি, নিপাহ ভাইরাসের উদ্বেগে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
ইংল্যান্ডের পর এবার অস্ট্রেলিয়াও ২০২৬ সালের টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে খেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিপাহ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ থেকে এই আপত্তি উঠেছে, যা টুর্নামেন্টের আয়োজন ও অংশগ্রহণে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে এবং আইসিসিকে চাপে ফেলেছে।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুসারে পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিএনএন এইচডি-তে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে যে ইংল্যান্ড ইতিমধ্যে ভারতে বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এবং এরপর অস্ট্রেলিয়াও একই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ থেকে শীর্ষ দলগুলোর মধ্যে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে। ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রে আগে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের ভিসা জটিলতা দেখা গিয়েছিল যেমন অ্যাডিল রশিদ ও রেহান আহমেদের ভিসা দেরিতে ইস্যু হয়েছে, যা ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) কে যুক্তরাজ্য সরকারের সাহায্য নিতে বাধ্য করেছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে আবেদনে কোনো আপত্তি নেই কিন্তু প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে ভাইরাসের ঝুঁকি প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর ফলে ইউরোপের একাধিক দেশও ভারতে খেলতে অনিচ্ছুকতা প্রকাশ করছে বলে খবর। আইসিসি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেয়নি কিন্তু এই উদ্বেগ টুর্নামেন্টের সূচি ও ভেন্যুতে প্রভাব ফেলতে পারে। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা বলছেন যে এ ধরনের আপত্তি অতীতে দেখা গেছে যেমন নিরাপত্তা বা রাজনৈতিক কারণে দলগুলো টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। একজন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ বলেন, “ভাইরাসের মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকলে দলগুলোর অবস্থান বোঝা যায়, আইসিসিকে এখন ভারসাম্য রক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”
টি২০ বিশ্বকাপ ২০২৬, অস্ট্রেলিয়া ভারত আপত্তি, নিপাহ ভাইরাস ক্রিকেট, ইংল্যান্ড ভিসা জটিলতা, আইসিসি টুর্নামেন্ট অনিশ্চয়তা
ইংল্যান্ডের পর অস্ট্রেলিয়াও নিপাহ ভাইরাসের উদ্বেগে ভারতে টি২০ বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে; টুর্নামেন্টে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি।