ইসরায়েলের হামলার প্রতিবাদে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাবে ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এতে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে এবং বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার সকাল থেকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের রাজধানী তেহরানসহ ইসফাহান, কোম, কারাজ, কারমানশাহ প্রভৃতি শহরে যৌথ হামলা চালায় যার কোডনেম ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ‘রোয়ারিং লায়ন’ (Lion’s Roar) এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘এপিক ফিউরি’। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে এটি ছিল পূর্ব-নির্ধারিত প্রতিরক্ষামূলক হামলা যাতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রেসিডেন্ট ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানদের লক্ষ্য করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেছেন “আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করব এবং তাদের সামরিক শক্তিকে বিধ্বস্ত করব যাতে ইরানিরা তাদের শাসকদের উৎখাত করার সুযোগ পায়।” এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) একাধিক ওয়েভে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে ইসরায়েলের দিকে যা তেল আভিভ, হাইফা, জেরুজালেমসহ বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজিয়ে আইডিএফের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম চালু করেছে। ইরানি মিডিয়া জানিয়েছে “দশকের” ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এছাড়া ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েতসহ গাল্ফ দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে যাতে আবু ধাবিতে একজন নিহত হয়েছে। ইসরায়েলে এ পর্যন্ত একজন আহতের খবর পাওয়া গেছে এবং বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র আটকানো হয়েছে। এই ঘটনা গত বছর জুনের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের পর নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে যেখানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করা হয়েছিল।
ইরান ইসরায়েল হামলা, ইরান পাল্টা হামলা, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণ, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, তেহরান বিস্ফোরণ, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান আজ ইসরায়েলে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ আক্রমণের জবাবে। তেহরান থেকে ডজন ডজন মিসাইল, ইসরায়েলে সাইরেন বেজেছে।