শেখ হাসিনার গণভবনের খাবার বিল বকেয়া আড়াই কোটি: হোটেল অবকাশের পাওনা আদায়ে অনিশ্চয়তা
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি কার্যালয় ও বাসভবন গণভবনে খাবার সরবরাহকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান হোটেল অবকাশের আড়াই কোটি টাকার বকেয়া বিল এখনও অপরিশোধিত রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারও এই দায় নিতে অস্বীকার করায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের (বাপক) অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানটির পাওনা আদায় নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ঢাকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে শনিবার ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত এই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। হোটেল অবকাশ গণভবনে চুক্তির আওতায় নিয়মিত খাবার সরবরাহ করত যাতে ৪৬০টি আইটেমের নির্ধারিত মূল্যে খাবার ও সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেখ হাসিনার শাসনামলে (২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত) খাবারের বকেয়া ছিল প্রায় ২ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। গণ-অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশত্যাগ করেন এবং বিল পরিশোধ না হয়ে থেকে যায়। হোটেল অবকাশ পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের কাছে চিঠি দিয়ে বকেয়া দাবি করেছে কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও যমুনা বাসভবনে খাবার সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও পুরনো বকেয়া মেটানোর দায় স্বীকার করা হচ্ছে না। মোট অপরিশোধিত পাওনা প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ ২০ হাজার টাকা যার মধ্যে শেখ হাসিনা আমলের অংশ আড়াই কোটির কাছাকাছি। হোটেল অবকাশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে চুক্তি অনুসারে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে কিন্তু বিল পরিশোধ না হওয়ায় আর্থিক চাপে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এই ঘটনা শেখ হাসিনা সরকারের আমলের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে যখন অন্তর্বর্তী সরকার বকেয়া দায় এড়িয়ে যাচ্ছে।
শেখ হাসিনা, গণভবন খাবার বিল, হোটেল অবকাশ বকেয়া, আড়াই কোটি টাকা, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, ৩১ জানুয়ারি
শেখ হাসিনার গণভবনের খাবার বিল বকেয়া আড়াই কোটি টাকা হোটেল অবকাশ পাচ্ছে না অন্তর্বর্তী সরকার দায় নিচ্ছে না ৩১ জানুয়ারি।