জাল ভোট দিলে সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড: নির্বাচন কমিশনের কড়া হুঁশিয়ারি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিনে জাল ভোট প্রদানকে গুরুতর অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির বিধান স্মরণ করিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যে কোনো ব্যক্তি অন্যের নামে বা অবৈধভাবে ভোট দিলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার, মামলা ও দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন।
আজ বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ঢাকায় নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন সূত্র ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর ৭৩ থেকে ৮৭ অনুচ্ছেদে ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণ, জাল ভোট প্রদান, অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়া বা ভোট প্রতারণাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তারা বলেছেন যে জাল ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এবং এছাড়া অর্থদণ্ডও আরোপ করা যেতে পারে। ভোটকেন্দ্রে অনধিকার প্রবেশ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান আছে। নির্বাচন কমিশনের একজন উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা বলেছেন যে ভোটকেন্দ্রে বেআইনি আচরণ ও অপরাধের জন্য নির্বাচনি আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। এছাড়া জাতীয় পরিচয়পত্র জাল করা বা ব্যবহারের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন ২০১০-এর অধীনে অনূর্ধ্ব সাত বছর কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জাল ভোট প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পূর্ববর্তী নির্বাচনগুলোতে জাল ভোটের অভিযোগে কেন্দ্র বাতিল, কর্মকর্তাদের শাস্তি ও গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটেছে যা এবার আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।
জাল ভোট শাস্তি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, নির্বাচন কমিশন, ৭ বছর কারাদণ্ড, ত্রয়োদশ নির্বাচন, ভোট প্রতারণা
জাল ভোট দিলে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড: নির্বাচন আইনে কঠোর শাস্তির বিধান, ইসির হুঁশিয়ারি।
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
