প্রধানমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে অপহরণের এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার
রাজধানী ঢাকায় এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের পর তার বাবা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে বিষয়টি জানালে তাৎক্ষণিক নির্দেশে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে। ঘটনাটি দ্রুত সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সক্রিয় ভূমিকা প্রশংসিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র আফনান সায়েদকে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জোরপূর্বক আটক করে জোড়পুকুর এলাকার একটি সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করা হয় এবং তার বাবার মোবাইল নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। না দিলে ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। অপহৃত ছেলের বাবা সচিবালয়ের একজন কর্মচারী। ছেলের অপহরণের খবর পেয়ে তিনি কাঁদতে কাঁদতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ঢুকে পড়েন এবং সরাসরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। বিষয়টি শুনে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ফোন করে রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন। পুলিশ দ্রুত অবস্থান শনাক্ত করে বিকেলের দিকে নির্মাণাধীন ভবনের সপ্তম তলায় অভিযান চালায়। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টার মধ্যে ছেলেটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী খবর শুনেই পুলিশকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। ডিসি মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরপরই অভিযান শুরু হয় এবং দ্রুত ছেলেটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপহরণ উদ্ধার স্কুলছাত্র খিলগাঁও ঢাকা পুলিশ অভিযান মুক্তিপণ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপে ঢাকার খিলগাঁওয়ে অপহৃত স্কুলছাত্রকে ১ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার, পুলিশের দ্রুত অভিযানে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।