জ্বালানি সংকটে বাড়তে পারে সাপ্তাহিক ছুটি, ফিরতে পারে অনলাইন ক্লাস ও হোম অফিস
জ্বালানি তেলের সরবরাহে চাপ এবং আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতার কারণে সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সূত্র জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময়সূচি পরিবর্তন, ওয়ার্ক ফ্রম হোম এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি খাতে চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় অন্তত আটটি সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। এর মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটিতে একদিন যোগ করে তিন দিনের ছুটি করা, সপ্তাহে দুই দিন ঘর থেকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া এবং অফিসের কাজের সময় কমানো বা এগিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে। শিক্ষা খাতে সপ্তাহের অর্ধেক ক্লাস অনলাইনে নেওয়ার চিন্তাও করা হচ্ছে যাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খরচ কমে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, “বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে এসব প্রস্তাব চূড়ান্ত হতে পারে।” বর্তমানে রংপুর বিভাগের আট জেলায় তেল সরবরাহ বন্ধ থাকায় স্থানীয়ভাবে ভোগান্তি বেড়েছে, যা দেশব্যাপী সংকটের আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে। সরকার আশা করছে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করলে জ্বালানি আমদানির চাপ কমবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
জ্বালানি সংকট, সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি, অনলাইন ক্লাস, হোম অফিস, বাংলাদেশ সরকার
জ্বালানি সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অনলাইন ক্লাস ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পরিকল্পনা, মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা প্রভাব।
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
