সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অবাধ্যতায় সরাসরি বরখাস্তের বিধান রেখে সংসদে বিল পাস
জাতীয় সংসদে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলন, ঊর্ধ্বতন আদেশ অমান্য ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে সরাসরি বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসরের বিধান যুক্ত করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাস হয়েছে। বিলটি আলোচনা ছাড়াই কণ্ঠভোটে পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেলে আইনে পরিণত হবে।
ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনে রোববার ৫ এপ্রিল ২০২৬ বিকেলে সংসদ অধিবেশনে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন। এটি ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনে নতুন বিধান সংযোজন করে। বিল অনুসারে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করা, সরকারের আদেশ-পরিপত্র বাস্তবায়নে বাধা দেওয়া বা অন্য কর্মচারীকে প্ররোচিত করা, ছুটি বা যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া সম্মিলিতভাবে কাজে অনুপস্থিত থাকা ইত্যাদিকে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। এসব অসদাচরণের জন্য তিন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে—নিম্নপদ বা নিম্ন বেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর এবং চাকরি থেকে বরখাস্ত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি কর্মচারীদের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’ বিলে অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর সুযোগ, প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন এবং ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। একই অধিবেশনে সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে আরেকটি বিলও পাস হয়।
সরকারি চাকরি সংশোধন বিল ২০২৬, সরাসরি বরখাস্ত বিধান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, শৃঙ্খলা ভঙ্গ অসদাচরণ, সংসদে বিল পাস
জাতীয় সংসদে সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আদেশ অমান্যের ক্ষেত্রে সরাসরি বরখাস্তের বিধান রেখে সংশোধনী বিল পাস হয়েছে, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বিলটি উত্থাপন করেন।
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
