সংসদে বাতিলের পথে গণভোটসহ ১৬টি অধ্যাদেশ
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোট অধ্যাদেশসহ ১৬টি এখনই বিল আকারে সংসদে উত্থাপন না করার সুপারিশ করেছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। ফলে আগামী ১২ এপ্রিলের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তামাদি হয়ে যাবে।
ঢাকায় বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন উত্থাপনের পর এ সুপারিশ প্রকাশ পায়। কমিটির সুপারিশ অনুসারে, অন্তর্বর্তী সরকারের ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাসের জন্য উত্থাপন করা হবে, ১৫টি সংশোধিত আকারে এবং চারটি রহিত করার জন্য বিল আনা হবে। গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ এর ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর কার্যকারিতা শেষ হয়ে গেছে, তাই এটিকে বিল আকারে উত্থাপনের প্রয়োজন নেই। এ ছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার, দুর্নীতি দমন কমিশন সংশোধন, রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা, তথ্য অধিকার সংশোধন, মাইক্রোফাইন্যান্স ব্যাংকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশও এ তালিকায় রয়েছে। কমিটির চেয়ারম্যান জয়নুল আবেদীনের নেতৃত্বে গঠিত এই কমিটি জানায়, এসব অধ্যাদেশ পরবর্তীতে আরও যাচাই-বাছাই করে অধিকতর শক্তিশালী আকারে নতুন বিল আনা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “গণভোট অধ্যাদেশের কাজ শেষ হয়েছে, ভবিষ্যতে আর এর প্রয়োজন পড়বে না।” বিরোধী দলের তিন সদস্য এসব অধ্যাদেশ বহাল রাখার পক্ষে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪-২০২৬ সালে এসব অধ্যাদেশ জারি করেছিল, যার মধ্যে গণভোট অধ্যাদেশের আওতায় ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের গণভোটে ৪ কোটি ৭২ লাখেরও বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়ে।
গণভোট অধ্যাদেশ জাতীয় সংসদ অন্তর্বর্তী সরকার ১৬ অধ্যাদেশ তামাদি বিশেষ কমিটি
অন্তর্বর্তী সরকারের গণভোটসহ ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে না তোলায় ১২ এপ্রিলের মধ্যে তামাদি হচ্ছে, পরবর্তীতে শক্তিশালী বিল আকারে আনার সুপারিশ হয়েছে।
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
