বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জাতীয় পর্যায়ে ‘উচ্চ ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে - ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | এক ঝলকে সারাদিন | সর্বশেষ খবর ও ব্রেকিং নিউজ

ঝলক২৪ | সর্বশেষ সংবাদ ও ব্রেকিং নিউজ । বস্তুনিষ্ঠ খবরের নির্ভরযোগ্য নিউজ পোর্টাল। 🔵 Facebook 🔴 YouTube

| |
| |

Post Top Ad

Responsive Ads Here

বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জাতীয় পর্যায়ে ‘উচ্চ ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে



হামের  ভয়াবহতায় অভিভূত বাংলাদেশ, জাতীয় পর্যায়ে ‘উচ্চ ঝুঁকি’ ঘোষণা করল ডব্লিউএইচও
বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দেশটিকে জাতীয় পর্যায়ে ‘উচ্চ ঝুঁকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২৪ এপ্রিল ২০২৬, বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল আইএইচআর ফোকাল পয়েন্ট থেকে পাঠানো সর্বশেষ আপডেটে জানানো হয়, দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮ জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়েছে, যা মোট জেলার ৯১ শতাংশ। পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে ডব্লিউএইচও জানায়, “বাংলাদেশে হাম এখন অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হতে পারে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১৯,১৬১টি সন্দেহভাজন এবং ২,৮৯৭টি ল্যাব-নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ১৬৬ জনের মৃত্যুর ঘটনা সন্দেহভাজন হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে অধিকাংশই পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। আক্রান্তদের ৭৯ শতাংশই টিকাবিহীন বা আংশিক টিকাপ্রাপ্ত হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা টিকাদান কাভারেজের ঘাটতিকে প্রধান কারণ হিসেবে দেখছেন।
রাজধানী ঢাকার ডেমরা, জাত্রাবাড়ী, মিরপুর, কোরাইল বস্তি ও কামরাঙ্গীরচরকে সংক্রমণের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। শুধু ঢাকাতেই ৮,২৬৩টি সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা দেশের সর্বোচ্চ। চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনাতেও সংক্রমণ দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ৫ এপ্রিল থেকে জরুরি হাম-রুবেলা (MR) টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে। প্রথম ধাপে ৩০টি উচ্চঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় টিকাদান শুরু হয় এবং ১২ এপ্রিল থেকে তা চার সিটি করপোরেশনে সম্প্রসারিত হয়। ৩ মে থেকে সারাদেশে টিকাদান বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, “হামের বর্তমান পরিস্থিতি শিশুদের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষ করে যেসব শিশু কখনো টিকা পায়নি, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে।” ইতোমধ্যে ১২,৩১৮ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে টিকাদান কাভারেজ কমে যাওয়া এবং দীর্ঘদিনের ইমিউনিটি গ্যাপই এই সংকটের মূল কারণ।
ডব্লিউএইচওর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার না হলে সংক্রমণ আরও বিস্তৃত হতে পারে এবং মৃত্যুহার বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশ হাম, ডব্লিউএইচও উচ্চ ঝুঁকি, হাম সংক্রমণ ৯১ শতাংশ জেলা, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, MR টিকাদান, শিশুদের হাম
বাংলাদেশে ৯১% জেলায় হাম ছড়িয়ে পড়ায় ডব্লিউএইচও জাতীয় পর্যায়ে ‘উচ্চ ঝুঁকি’ সতর্কতা জারি করেছে।

সূত্র: ঝলক২৪ টিম

খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন

Pages