গাজীপুরে পাঁচ খু/নের ঘটনায় জানা যাচ্ছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় একই পরিবারের পাঁচ সদস্যকে গলা কে/টে হ/ত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিহত নারীর স্বামীকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যিনি ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন।
শুক্রবার (৮ মে ২০২৬) দিনগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের একটি ভাড়া বাড়িতে এই নৃশংস হ/ত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার (৯ মে) সকালে স্থানীয়রা রক্তাক্ত মরদেহগুলো দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। নিহতরা হলেন শারমিন আক্তার (৩০), তার মেয়ে মিম (১৫), মারিয়া (৮), ছেলে ফারিদ (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রাসেল মিয়া (২২)।
গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কাপাসিয়া-কালীগঞ্জ সার্কেল) আসাদুজ্জামান জানান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে সবাইকে হত্যা করা হয়েছে। শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় জানালার কাছে মর/দেহ পাওয়া যায়, তিন শিশুর মর/দেহ মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল এবং রাসেলের মরদেহ বিছানায়। পুলিশের ধারণা, পরিবারিক কলহ থেকে এই ঘটনা ঘটতে পারে। নিহত শারমিনের স্বামী ফরকান মিয়া (গাড়িচালক) ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি গোপালগঞ্জের বাসিন্দা এবং প্রায় এক বছর ধরে পরিবার নিয়ে এখানে ভাড়া থাকতেন।
এলাকাবাসীরা জানান, রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটে। সকালে বাড়ির দরজা খোলা দেখে তারা ভেতরে ঢুকে ভয়াবহ দৃশ্য দেখেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর/দেহগুলো গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। কাপাসিয়া থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, “আমরা একাধিক টিম গঠন করে ফরকান মিয়াকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি। মোটিভসহ পুরো ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।”
এই নৃশংস হ/ত্যা/কাণ্ড পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।
গাজীপুর পাঁচ খু/ন, কাপাসিয়া পরিবার হ/ত্যা, ফরকান মিয়া, শারমিন হ/ত্যা, গাজীপুর খুনের ঘটনা