প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া-চীন সফরে গুরুত্ব পাবে শ্রমবাজার, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রধান আলোচ্য বিষয় হবে।
আগামী ২১ ও ২২ জুন কুয়ালালামপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান। এরপর ২৩ জুন থেকে ২৬ জুন চীন সফরে বেইজিংয়ে চীনা নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সফরে বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির প্রতিফলন ঘটবে।
মালয়েশিয়া সফরে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে প্রায় আট লাখ বাংলাদেশি শ্রমিকের কল্যাণ ও শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণ। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা প্রদান, নিয়োগ খরচ কমানো, শ্রম অধিকার নিশ্চিত এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি নিয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া শিক্ষা, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও হালাল খাদ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ও থাকবে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে এসব আলোচনা সফল হলে প্রবাসী আয় বাড়বে এবং শ্রমিকদের সমস্যা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
চীন সফরে অবকাঠামো উন্নয়ন, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় প্রকল্প, প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ প্রধান এজেন্ডা। তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা প্রকল্পসহ বিভিন্ন অর্থায়ন বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে বাংলাদেশ নতুন বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহায়তা পেতে চায়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি, প্রতিরক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতাও আলোচিত হবে। এটি নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রথম বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সফল আলোচনা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নতুন গতি দেবে।
তারেক রহমান মালয়েশিয়া সফর, প্রধানমন্ত্রী চীন সফর, বাংলাদেশ মালয়েশিয়া শ্রমবাজার, চীন বিনিয়োগ বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
