তবে আপাতত পাকিস্তানিরা তাদের পাসপোর্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পেয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব সালমান চৌধুরী।
সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) পাকিস্তানিদেরকে ভিসা দিচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব সালমান চৌধুরী। তবে আপাতত পাকিস্তানিরা তাদের পাসপোর্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই পেয়েছে বলে জানান তিনি।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডন’ এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার মানবাধিকার বিষয়ক সিনেট ফাঙ্কশনাল কমিটির এক বৈঠকে সালমান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরব এবং আরব আমিরাত এখনও “পাকিস্তানিদের পাসপোর্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়নি। যদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়, তবে তা তুলে নেওয়া কঠিন হবে।”
সালমান চৌধুরি জানান, বর্তমানে আরব আমিরাত কেবল নীল এবং কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদেরকে ভিসা দিচ্ছে।
পাকিস্তানের মানবাধিকার বিষয়ক সিনেট কমিটির প্রধান সিনেটর সামিনা মমতাজ জেহরি ‘দ্য ডন’কে সালমান চৌধুরির জানানো তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে গিয়ে কিছু পাকিস্তানির অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বেগ থেকেই ভিসায় কড়াকড়ির এই পদক্ষেপ।
মমতাজ জেহরি জানান, সিনেট কমিটিকে বলা হয়েছে যে, “সংযুক্ত আরব আমিরাত পাকিস্তানিদেরকে ভিসা দিচ্ছে না। সম্প্রতি হাতে গোনা কয়েকজন অনেক কষ্ট করে ভিসা জোগাড় করতে পেরেছেন।”
যদিও আমিরাতের দূতাবাসের এক ঊর্ধ্বতন কূটনীতিক দ্য ডন পত্রিকাকে বলেছেন, পাকিস্তানের নাগরিকদের ভিসার ওপর কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
পাকিস্তান ও আরব আমিরাতের মধ্যে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আছে। আমিরাত মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্য অংশীদার এবং রেমিট্যান্সের প্রধান উৎস।
বহু পাকিস্তানি অভিবাসী সেখানে বাস করাসহ কাজও করেন। কিন্তু পাকিস্তানিদের ভিসা পেতে বিলম্ব ও প্রত্যাখ্যানের ঘটনা ঘটছে। গত জুলাইয়েও পাকিস্তানিদের ভিসা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে পকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বিষয়টি নিয়ে আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে কথা পেড়ে
ছিলেন।
