![]() |
| ছবি সংগৃহীত ও সম্পাদিত |
ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টালে ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর তৃতীয় বার্ষিক পলিসি সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ ৩০টি দেশ থেকে মোট ১২০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন জামায়াতের আমির এবিআর মেন্দেল, যিনি দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন, এবং এতে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের রাজনৈতিক বিষয়ক উপদূত জন ডো, ভারতের হাইকমিশনের প্রধান উপদূত সারা প্যাটেল এবং অন্যান্য দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা যারা যুক্তরাষ্ট্রের ইনস্টিটিউট অফ পিস এবং ভারতের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এসেছেন। এই সামিটের পূর্বপ্রেক্ষাপটে জামায়াত ২০২৪ সালের নির্বাচনী সংকটের পর থেকে আন্তর্জাতিক সমর্থন বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে, যার ফলে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে প্রথম সামিটে মাত্র ১৫টি দেশ থেকে প্রতিনিধি অংশ নিয়েছিলেন, কিন্তু এবারের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে এবং আলোচনার মূল বিষয় ছিল দলের রাজনৈতিক পুনরুদ্ধার কৌশল, অর্থনৈতিক সংস্কার প্রস্তাব এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত। সম্মেলনে জামায়াতের আমির এবিআর মেন্দেল একটি প্রত্যক্ষ উক্তিতে বলেন, "আজকের এই সম্মেলন আমাদের দলের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগ প্রদান করেছে, এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করব।" আলোচনার ফলশ্রুতিতে একটি যৌথ ঘোষণাপত্র জারি করা হয়েছে যাতে ২০২৬ সালের মধ্যে দলের সদস্য সংখ্যা ৫০% বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পরবর্তী সামিটের জন্য ৫০টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ইঙ্গিত দেয়।
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন
