৮ জানুয়ারি ২০২৬, নিউজ ডেস্ক
সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের মধ্যে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম সহনীয় রাখা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক করার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আমদানিকৃত এলপিজির ওপর ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সঙ্গে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দেশে এলপিজির চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে আমদানি করা হয়। পাইপলাইন গ্যাসের সংকটের কারণে গৃহস্থালি ও শিল্পখাতে এলপিজির ব্যবহার দ্রুত বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের কারণে সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে, যা ভোক্তাদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগের ফলে আমদানি বাড়বে এবং বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) এই প্রস্তাব বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংককেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে জ্বালানি খাতে এলপিজি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিইআরসি প্রতি মাসে দাম নির্ধারণ করলেও বাজারে অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগ প্রায়ই উঠে। ভ্যাট কমানোর এই পদক্ষেপ ভোক্তাদের জন্য স্বস্তি আনতে পারে।
এর আগে এলপিজি ব্যবসায়ীরা দাবি আদায়ে বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের আশা করা হচ্ছে।
ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলো বলছে, দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। তারা সরকারের কাছে কার্যকর তদারকির দাবি জানিয়েছে।
এলপিজি, ভ্যাট কমানো, জ্বালানি মন্ত্রণালয়, বিইআরসি, গ্যাস সংকট, আমদানি, ভোক্তা স্বার্থ
সূত্র: ঝলক২৪ টিম
খবরের দায়ভার নয়; অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি সংশোধনে যোগাযোগ করুন