নির্বাচনে অরাজকতা হলে পুরো আসনের ভোট স্থগিতের ক্ষমতা পেয়েছে ইসি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অরাজকতা বা অনিয়ম দেখা গেলে শুধু একটি কেন্দ্র নয়, প্রয়োজনে পুরো সংসদীয় আসনের ভোট স্থগিত বা বাতিল করার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) হাতে রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান চূড়ান্ত হয়েছে। ভোটগ্রহণের মাত্র দুদিন আগে এই ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ২৯৯টি সংসদীয় আসনে (শেরপুর-৩ ব্যতীত) জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের আগস্ট মাসে আরপিও সংশোধন করে ইসি এই ক্ষমতা ফিরে পেয়েছে। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অবস্থা বুঝে নির্বাচন স্থগিত করা, এক বা একাধিক বা সমস্ত কনস্টিটুয়েন্সির ফলাফল বাতিল করতে পারবে।’ এর আগে ২০২৩ সালের সংশোধনীতে ইসির ক্ষমতা সীমিত করে শুধু কেন্দ্রভিত্তিক বাতিলের বিধান রাখা হয়েছিল, কিন্তু ২০২৫-এর সংশোধনীতে পুরো আসন বা একাধিক আসনের ফল বাতিলের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। এতে অনিয়ম, অরাজকতা, বলপ্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শনের কারণে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হলে ইসি যেকোনো পর্যায়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে। প্রচার শেষ হওয়ার পরও ইসি জানিয়েছে, ভোটের পরিবেশ প্রত্যাশার চেয়ে ভালো রয়েছে এবং কোনো বড় অরাজকতার আশঙ্কা নেই। মোট ভোটকেন্দ্র ৪২ হাজার ৭৭৯টি, ভোটার প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে, এই ক্ষমতা ব্যবহার করে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে।
নির্বাচন অরাজকতা, পুরো আসন স্থগিত, আরপিও সংশোধনী, নির্বাচন কমিশন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, গণভোট ২০২৬
অরাজকতা হলে পুরো আসনের ভোট স্থগিতের ক্ষমতা ইসির হাতে, ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ।