ট্রাম্প ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা করতে চান। তিনি বলেছেন, ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার আগ্রহ দেখানো হয়েছে এবং তিনি তাতে সম্মতি দিয়েছেন, যদিও সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরদিন রোববার (১ মার্চ ২০২৬) সকালে মারে-লাগো ক্লাব থেকে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক ফোনালাপে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (৭৯) বলেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব আলোচনা চায় এবং তিনি রাজি হয়েছেন। তিনি বলেন, “তারা কথা বলতে চায়, আর আমি কথা বলতে রাজি হয়েছি। তারা অনেক দেরি করেছে।” হামলায় খামেনি (৮৬) সহ অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হওয়ার পর ইরানে অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব গঠিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, প্রধান বিচারপতি গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই এবং গার্ডিয়ান কাউন্সিলের প্রতিনিধি আলিরেজা আরাফি রয়েছেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন যে পূর্বের আলোচনায় অংশ নেওয়া কয়েকজন এখন আর নেই এবং আলোচনা আজ বা আগামীকাল হতে পারে, তবে সময় নির্দিষ্ট করেননি। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে জেনিভা ও সুইজারল্যান্ডে পরোক্ষ আলোচনা চলছিল পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে, কিন্তু হামলার পর সেগুলো ব্যাহত হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, আলোচনা আগে হলে এই পরিস্থিতি এড়ানো যেত। বর্তমানে সামরিক অভিযান চলমান থাকলেও তিনি কূটনৈতিক পথ খোলা রাখতে চান। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব আলোচনায় আগ্রহী এবং ট্রাম্প ‘শেষ পর্যন্ত’ তাতে রাজি।
ট্রাম্প ইরান আলোচনা, ইরান নতুন নেতৃত্ব ট্রাম্প, খামেনি নিহত পর আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধ আলোচনা, ট্রাম্প দ্য আটলান্টিক সাক্ষাৎকার
ট্রাম্প ইরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনায় রাজি; খামেনি নিহতের পর কূটনৈতিক পথ খোলা, সামরিক অভিযান চলমান।