শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত তাঁর অবদান স্মরণ করে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
১৯৮১ সালের ৩০ মে দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল বিপথগামী সামরিক কর্মকর্তার গুলিতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন জিয়াউর রহমান। আজ শুক্রবার সেই ঘটনার ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে রয়েছে কোরআন খতম, মিলাদ মাহফিল, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ এবং জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন।
জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করেন। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন তিনি। পরবর্তীকালে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান এবং ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি হন। তাঁর শাসনামলে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, বিএনপি গঠন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তিনি সার্ক প্রতিষ্ঠারও অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন।
বিএনপির একজন নেতা বলেন, “শহীদ জিয়া বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।” এবারের শাহাদাতবার্ষিকীতে দলটি জনগণের মাঝে জিয়ার অবদান তুলে ধরতে বিশেষ জোর দিয়েছে। চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি যাদুঘরসহ বিভিন্ন স্থানে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হবে।
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী খালেদা জিয়া দুবার প্রধানমন্ত্রী হন এবং ছেলে তারেক রহমান বর্তমান রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। এই দিনটি জাতির জন্য শোকের পাশাপাশি অনুপ্রেরণারও দিন। নেতাকর্মীরা তাঁর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের শপথ নিচ্ছেন।
জিয়াউর রহমান, শাহাদাতবার্ষিকী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া, বিএনপি কর্মসূচি, ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী, স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ