কোরবানির বর্জ্য অপসারণে গাফিলতি: ঢাকার দুই সিটি কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশে ঢাকার কোরবানির বর্জ্য অপসারণে অবহেলার দায়ে দুই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এই পদক্ষেপ রাজধানীবাসীকে দ্রুত পরিচ্ছন্ন শহর ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির অংশ।
ঈদুল আজহার দিন ঢাকায় কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য গাফিলতি দেখা যায়। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) দুই জন কর্মকর্তাকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন। ঘটনাটি ঈদের দিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য জমে থাকার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিলেন যে ঈদের দিনের মধ্যে ১২ ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীর কোরবানির বর্জ্য সম্পূর্ণ অপসারণ করতে হবে। দুই সিটি কর্পোরেশন মিলিয়ে প্রায় ২৯,৫০০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৭০০-এর বেশি যানবাহন মোতায়েন করা হয়েছিল। ডিএনসিসি প্রায় ১৬,০০০ কর্মী ও ডিএসসিসি প্রায় ১৩,০০০ কর্মী নিয়োগ করে এই কাজে। লক্ষ্য ছিল ঈদের দিনেই অর্ধেকের বেশি বর্জ্য অপসারণ, যা গত বছরের তুলনায় অনুরূপ পরিমাণের (প্রায় ২০ হাজার টন)। কিন্তু কিছু এলাকায় সময়মতো কাজ না হওয়ায় জনদুর্ভোগ বাড়ে এবং দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে আমরা কাজ করছি। কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না।” এই ঘটনার পর দুই সিটি কর্পোরেশন তাদের মনিটরিং জোরদার করেছে এবং অবশিষ্ট বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে ফেলার জন্য অতিরিক্ত টিম পাঠিয়েছে।
এই পদক্ষেপ রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কঠোর প্রশাসনিক মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। নগরবাসী আশা করছেন, এতে ভবিষ্যতে এমন গাফিলতি আর না ঘটে। সার্বিকভাবে ঈদুল আজহায় প্রায় সাত লাখ পশু কোরবানির সম্ভাবনা ছিল, যার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।
মেটা কিওয়ার্ড: কোরবানির বর্জ্য, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ, বরখাস্ত, ঈদুল আজহা বর্জ্য অপসারণ, ডিএনসিসি, ডিএসসিসি
ঢাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে গাফিলতির দায়ে দুই সিটি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিষ্কারের নির্দেশ অমান্যের ঘটনায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে