ট্রাম্প শি জিনপিংকে ‘আমার বন্ধু’ বলে সম্বোধন, বেইজিংয়ে ঐতিহাসিক বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ‘আমার বন্ধু’ বলে সম্বোধন করে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার ১৪ মে ২০২৬ বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন।
চীন সফরে গিয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, “আপনার সঙ্গে থাকা সম্মানের ব্যাপার, আপনার বন্ধু হওয়া সম্মানের। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক এর আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে আরও ভালো হবে।” ট্রাম্প আরও জানান, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শি জিনপিংকে ওয়াশিংটন সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং ফার্স্ট লেডি পেং লিয়ুয়ানকেও সঙ্গে নিয়ে আসার অনুরোধ করেছেন।
বৈঠকে শি জিনপিং দুই দেশকে ‘প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার’ হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং এটিকে সফল করতে হবে। তবে তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের ‘লাল রেখা’ স্পষ্ট করে দিয়েছেন শি, যা ভুলভাবে সামলালে পুরো সম্পর্ক ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন।
প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, ২০১৭ সালের পর এটিই ট্রাম্পের প্রথম চীন সফর। দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প বাণিজ্য, প্রযুক্তি, ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির মতো বিষয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকে দুই দেশ ইরান কখনো পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না এবং হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখার বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেছে। চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
এই সফর দুই বৃহৎ শক্তির মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে সহযোগিতার নতুন দ্বার খুলতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্পের এই উষ্ণ মন্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মেটা কিওয়ার্ড: ট্রাম্প শি জিনপিং, ট্রাম্প চীন সফর, শি জিনপিং বন্ধু, ট্রাম্প-শি বৈঠক, যুক্তরাষ্ট্র চীন সম্পর্ক, বেইজিং নৈশভোজ
সার্চ ডেসক্রিপশন: ট্রাম্প শি জিনপিংকে ‘আমার বন্ধু’ বললেন বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় ভোজসভায়। সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ, দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে ঐতিহাসিক বৈঠক