মিরপুরে শিশু রামিসার বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী, বড়বোনের দায়িত্ব নিলেন তারেক রহমান
রাজধানীর মিরপুর-১১ পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যার শিকার সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি রামিসার বড়বোনের লেখাপড়া ও ভবিষ্যতের পুরো দায়িত্ব নিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ২১ মে ২০২৬ রাত সাড়ে ৯টার দিকে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী রামিসার বাসায় পৌঁছান। সেখানে শোকাহত বাবা-মা ও বড়বোনের সঙ্গে কথা বলেন এবং সান্ত্বনা দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রামিসার যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করা সম্ভব নয়, কিন্তু তার বড়বোন রাইসা আক্তারের লেখাপড়া, চিকিৎসা ও ভবিষ্যতের পুরো দায়িত্ব সরকার নেবে। আমরা পরিবারের পাশে আছি।”
ঘটনার কালানুক্রমিক ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, গত সোমবার পল্লবীর কালসি রোডের একটি ফ্ল্যাটে রামিসার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার সোহেল আদালতে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ঘটনায় সারাদেশে তীব্র ক্ষোভ ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি শিশু নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। রামিসার বাবা জানান, তাদের ৩০ বছরের বসবাসের এলাকায় এমন ঘটনা তাদের মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছে। বড়বোন রাইসা (নবম শ্রেণির ছাত্রী) এখন মানসিক আঘাতে ভুগছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত পরিবারের জন্য বড় স্বস্তির কারণ হয়েছে।
এ সফরের মাধ্যমে সরকার শিশু সুরক্ষা ও ন্যায়বিচারের প্রতি কঠোর অবস্থানের বার্তা দিয়েছে। ঘটনাটি দেশজুড়ে শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।
শিশু রামিসা প্রধানমন্ত্রী সফর, তারেক রহমান মিরপুর, রামিসার বড়বোন দায়িত্ব, পল্লবী শিশু হত্যা, রামিসা পরিবার সান্ত্বনা